মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে আজকে আমরা জানব। মধু নামটি অনেক ছোট কিন্তু এর বিশালতা অনেক। মধুর পুষ্টিগুন ও উপকারের কথা সারাদিন বলেও শেষ করার নয়। সবকিছু জানার আগে আমাদের প্রথমেই জানতে হবে মধু কি? মধু কিভাবে তৈরি হয়? মানব দেহে মধু কি কি উপকার করে।
মধুর পুষ্টিগুন, কিভাবে খাবেন ও এর উপকার সম্পর্কে জানার জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি ধৈর্য সহকারে মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন, তাহলেই সব জানতে পারবেন। মধু নামটাই অনেক সুন্দর। মধু খেতে যেমনি সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিকর। মানব স্বাস্থ্যের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী। চলুন আর দেরি না করে মূল আলোচনা যাওয়া যাক।
সূচীপত্র
মধু কি ও কিভাবে তৈরি হয়
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা জানার জন্য আমাদের প্রথমেই জানতে হবে মধু কি ও কিভাবে তৈরি হয় ? মধু হলো উচ্চ ঔষধি গুনসম্পন্ন, সু-মিষ্টি ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এক ধরনের ঘন তরল পদার্থ। মৌমাছি নামক এক ধরনের পতঙ্গ ফুলে ফুলে ঘুরে ফুলের নির্যাস থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় মধু তৈরি করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।
বলা যেতে পারে মধু হল আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক প্রদত্ত প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহুগুনে বৃদ্ধি করে। প্রাচীনকাল থেকেই শক্তিবর্ধক ও পুষ্টিকর গুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুকে মহৌষধ বলা হয়।
মধুর পুষ্টিগুণ ও পুষ্টি উপাদান
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা আলোচনা করতে গিয়ে আমাদের জানা দরকার মধুতে কি পরিমানে খাদ্য উপাদান বা পুষ্টিমান রয়েছে। বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত ঔষধিগুণ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন মধু নিয়মিত খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মৌমাছি কর্তৃক তৈরিকৃত খাঁটি মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান রয়েছে। ১০০ গ্রাম মধুতে কোন পুষ্টি কি পরিমাণে আছে তা চার্ট আকারে নিম্নে তুলে ধরা হলো।
আরো পড়ুন: বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম।
পুষ্টি উপাদানের নাম |
পরিমাণ
|
এনার্জি |
২৮৮ কিলো ক্যালরি |
গ্লকোজ |
২৫-৩০
শতাংশ |
ফ্রকটোজ |
৩৪-৪৩ শতাংশ |
সুক্রোজ |
০.৫-৩.০
শতাংশ |
মল্টোজ |
৫-১২
শতাংশ |
অ্যামাইনো এসিড |
২২
শতাংশ |
চর্বি |
ফ্রি |
খনিজ
লবণ |
২৮
শতাংশ |
লবণ |
১২ শতাংশ |
এনকাইম |
১১
শতাংশ |
ভিটামিন
বি১ |
|
ভিটামিন
ব২ |
|
ভিটামিন
ব৩ |
|
ভিটামিন
ব৫ |
|
ভিটামিন
ব৬ |
|
জিংক / অ্যান্ট্রিঅক্সিডেন্ট |
|
আয়োডিন |
|
কপার / আয়রন |
|
|
|
চার্টে উল্লেখিত খনিজ, ভিটামিন বা লবণ ছাড়াও মধুতে রয়েছে এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিমাইক্রোবিয়াল ইফেক্ট যা আমাদের দেহের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে দেহকে আরো স্ট্রেন্থদেন করে।
মধু খাওয়ার নিয়ম
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতাগুলো যথাযথভাবে মানবদেহে যেন কার্যকরী ভাবে কাজ করে সেজন্য মধু কিভাবে খাবেন সেটা জানা খুব জরুরী। আমরা কম বেশি সকলেই মধু খাই। কিন্তু মধু ঠিক কি নিয়মে খেলে মানবদেহে পুরোপুরি কাজ করে এটা অনেকেরই অজানা। মধু খাওয়ার সঠিক কোন সময় নেই।
আরো পড়ুন: লটকন খাওয়ার ১০টি উপকারিতা।
মধু যে কোন সময় খেতে পারেন। চলুন মধু খাওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে নিই। বিভিন্ন গবেষণালব্ধ ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে এক চুল বা এক চামচ পরিমাণ মধু হাতের তালুতে নিয়ে জিহ্বা দিয়ে চেটে চেটে খাওয়াই উত্তম ও সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। জিহবার লালা মধুর সাথে মিশে এর কার্যকারিতা আরো বাড়িযে দেয়।
মধু যে কোন সময় খাওয়া যেতে পারে তবে সকালে খালি পেটে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। দুধ গরম করে ঠান্ডা হলে তার সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন আবার পানির সাথে মিশিয়ে শরবত বানিয়েও খেতে পারেন।
মধু খাওয়ার উপকারিতা
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা শিরোনামটি সম্পর্কে জানতে গিয়ে এখন আমরা আলোচনা করব মধু খাওয়ার উপকারসমুহ। বহু পুষ্টিগুণ ও ঔষধি মানসম্পন্ন মহা-ঔষধ হলো মধু। মধুর রয়েছে হাজারও পুষ্টি ও ঔষধিগুণ যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারি।
মধুতে রয়েছে অনেকগুলো পুষ্টিমান যার কোনটি রোগ প্রতিরোধক, কোনটি রোগের প্রতিষেধক আবার কোনটি শরীরের শক্তিবর্ধক। নিম্নে পর্যায়ক্রমে মধুর খাওয়ার উল্লেখেযোগ্য উপকারগুলো আলোচনা করা হলো।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা অনেক। আমরা বাঙালিরা খুব কমই আছি যারা ব্যালেন্স খাবার গ্রহণ করি। ব্যালেন্স ডায়েট গ্রহণ না করার কারণে আমাদের দেহে সব ধরনের পুষ্টির সমন্বয় ঘটে না।
আরো পড়ুন: টমেটো খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
তাই দিনে দিনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। যদি আপনি প্রতিদিন এক থেকে দুই চামচ মধু খান তাহলে মধুতে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে আপনি সুস্থ থাকবে।
হার্ট ভালো রাখে রক্তশূন্যতা দূর করে
হার্ট ভালো রাখে রক্তশূন্যতা দুর করে মধু। প্রতিদিন নিয়মিত এক গ্লাস কুসুম গরম জলের সাথে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে রক্তের ব্যাড কোলেস্টের কমে রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে ও
আরো পড়ুন: পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ভিসা চেক মালয়েশিয়া
হাট ভালো রাখে। মধুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, কপার সহ অন্যান্য ভিটামিন থাকে যা রক্তের হিমোগ্লোবিনের গঠন ঠিক রাখে ও রক্তশূন্যতা রোধ করে।
ফুসফুস ভালো রাখে, শ্বাসকষ্ট দূর করে
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতার মধ্যে অন্যতম হলো মধু খেলে ফুসফুস ভালো থাকে। মধু গোলমরিচের গুড়া ও আদা বেটে একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত দিনে তিনবার কয়েকদিন খেলে ফুসফুস ভালো থাকে, হাঁপানি রোগ দূর হয় ও শ্বাসকষ্ট কমে যায়। নিয়মিত মধু খান সুস্থ থাকুন।
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
প্রতিনিয়ত মধু খেলে পাকস্থলী কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে হজম ঠিক থাকে। পেটের গ্যাস বা এসিডিটি রোধ হয়। যার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
আরো পড়ুন: রসুনের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম ও পুষ্টিগুণ।
পুরাতন আমাশয় ও পেটেরপীড়াসহ জটিল রোগ নিরাময় করে মধু। নিয়মিত মধু পান করুন পেট ভালো রাখুন, আপনি সুস্থ থাকুন।
যৌনশক্তি বাড়ায়
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতার মধ্যে অন্যতম হলো মধু যৌন শক্তি বাড়ায়। যৌনশক্তি বাড়াতে মধু হতে পারে এক মহা ঔষধ। পুরুষদের মধ্যে যারা যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন তারা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা একসঙ্গে মিশিয়ে খান তাহলে অবিশ্বাস্য ফল পাবেন। তাই প্রতিদিন মধু-ছোলা মিশিয়ে খান যৌন দুর্বলতাকে না বলুন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে মধু। মধুতে কোন প্রকারের ফ্যাট বা চর্বি নেই। মধু খেলে অতিরিক্ত কোন চর্বি জমে পারে না বরং সকালে খালি পেটে কুসুম গরম এক গ্লাস জলের সাথে দু-এক চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খেলে চর্বি কেটে যায় বা কমে যায়। এভাবে নিয়মিত মধু খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ডায়রিয়া বা পানি শূন্যতায় মধু
ডায়রিয়া বা পানি শূন্যতায় মধু এর কার্যকরী ভূমিকা লক্ষণীয়। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। সোডিয়াম-পটাশিয়ামএ
আরো পড়ুন: শিমুলের মূল খাওয়ার উপকারিতা কি?
র ইমব্যালেন্স হয়। তাই খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি যদি ১ লিটার পানিতে ৫ চা চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে দ্রুত ডায়রিয়া বা পানি শুন্যতা রোধ করে ও সডিয়াম-পটাশিয়ামের ব্যালেন্স ঠিক রাখে।
প্রশান্তির পানীয় ও এনার্জি বৃদ্ধি করে
প্রশান্তির পানীয় হিসেবে স্বস্তি দেয় মধুর পানি।সারাদিন কর্ম - ব্যস্ততার পরে যে ক্লান্ত হয়ে পড়েন বাসায় ফিরে এক গ্লাস কুসুম গরম জলের সাথে দুই তিন চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। স্বস্তি পাবেন, দেহ মনে আসবে প্রশান্তি। মধুতে বিদ্যমান সুক্রোজ-গ্লুকোজ তাৎক্ষণিক এনার্জি বৃদ্ধি করে।
ত্বকের যত্নে রূপচর্চায় ও তারুণ্য ধরে রাখে মধু
ত্বকের যত্নে, রূপচর্চায় ও তারুণ্য ধরে রাখতে অনেক কিছু ট্রাই করে থাকেন মেয়েরা। মধুর মাস্ক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করলে মুখের দাগ দূর হয়,
আরো পড়ুন: আদর্শ চালকের কি কি গুণাবলী উচিত
ত্বক মসৃণ, সুন্দর ও লাবণ্যময় হয়। মধুতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের ভাজ বা বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। সামগ্রিকভাবে আপনি থাকবেন প্রাণবন্ত ও তারুণ্যময়।
হাড় দাঁত ও মুখের সুরক্ষায়
হাড় দাঁত ও মুখের সুরক্ষায় মধু যথেষ্ট উপকারী। মধুতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। যাদের হাড় ও দাঁতের ক্ষয় রোগ হয় তারা নিয়মিত মধু খেলে ক্ষয় রোগ দূর হয়। মুখের ভিতরে ক্ষতের সৃষ্টি হলে মধু খেলে ক্ষত ভালো হয়।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ও অনিদ্রা দূর করে
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ও অনিদ্রা দূর করতে মধুর যথেষ্ট কার্যকারি। মধুতে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন। গাজরের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। তাই মধু খান দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখুন। অনিদ্রা দূর করে মধু। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানির সাথে দু এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে নিলে স্বস্তিদায়ক ঘুম হয়।
তাপ উৎপাদন করে ও শক্তি বাড়ায়
তাপ উৎপাদন করে শক্তি বাড়াতে মধুর উপকারিতা অনুস্বীকার্য। মধুতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ ও গ্লুকোজ যেগুলো তৎক্ষণাৎ শরীরে তাপ ও শক্তি প্রদান করে শরীরকে সুস্থ রাখে। শীতের সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক থেকে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীর সতেজ ও প্রাণবন্ত হয়।
বাচ্চাদের মধু খাওয়ার নিয়ম
বাচ্চাদের মধু খাওয়ানোর বেলায় একটু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বাচ্চা জন্মের পরেই মুখে মধু দেওয়া উচিত নয়।মধুতে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে যার নাম "ইনফ্যান্ট বোটুলিজম" যা 'ফ্লুপি বেবি সিনড্রোম' নামেও পরিচিত।
এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধু খাওয়ালে পরিপাকতন্ত্রে এই ব্যাকটেরিয়া সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। বাচ্চাদের বয়স এক বছর বা বারো মাসের বেশি হলে সে ক্ষেত্রে মধু খাওয়াতে পারেন। এই অবস্থায় বাচ্চাকে প্রাথমিক পর্যায়ে সারাদিনে এক ড্রপর করে মধু খাওয়াতে পারবেন।মধু খাওয়ার সতর্কতা
মধুর পুষ্টিগুণ খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা অনেক। তবে এই মধু নিয়ম মেনে খাওয়া উচিত। নিয়ম তান্ত্রিকভাবে না খেলে অনেক সময় কিছু কিছু ক্ষতি হতে পারে সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করে মধু খাওয়া দরকার। মধু খাওয়া সতর্কতা বলে নিম্নে আলোকপাত করা হলো
- ফুটন্ত গরম পানিতে বা গরম দুধের সাথে মধু মিশিয়ে খাওয়া উচিত না।
- মধু কখনোই গরম বা রান্না করে খাওয়া উচিত না।
- এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধু খাওয়ানো উচিত না।
- অতিরিক্ত মধু খাওয়া উচিত না এতে শরীরে ঝিম ঝিম ভাব হতে পারে।
- ডায়াবেটিসের রোগীদের বেশি পরিমাণে মধু হওয়া উচিত না।
- অতিরিক্ত পরিমাণে মধু খেলে বদ-হজম হতে পারে।
পরিশেষ
মধুর পুষ্টিগুন খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে ইতিমধ্যে আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা জানতে পেরেছেন। মধু অত্যন্ত সুপেয় ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি খাদ্য উপাদান যা সম্পর্কে কোরআন হাদিসেও বর্ণনা রয়েছে। মধু খেলে শরীরের সব ধরনের শক্তি বাড়ে শরীর মন যশ থাকে।
আশা করি মধু সম্পর্কে আজকের এ আর্টিকেলটি আপনাদের সবাইকে ভালো লেগেছে। তাই আপনার ভালো লাগা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শেয়ার করে দিতে ভুলবেন না।প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ মধু খাবেন সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url