মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায়
মেহেদির রং গাঢ় করার সহজ উপায়
বর্তমানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিয়ে কিংবা ঈদে মেহেদির রংয়ে হাত-পা রাঙ্গানো ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবারই কামলা-বাসনা একটাই মেহেদির রং যেন গাঢ় হয়। কারণ মেহেদি গাঢ় না হলে দেখতে ভালো লাগে না, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় না। সেজন্য মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করতে হয়। মেহেদির রং গাঢ় করার সহজ উপায়গুলো নিম্নে পর্যায়ক্রমে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হলো।
১.মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য পুষ্ট পাতার ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় বলতে গিয়ে প্রথমেই বলা দরকার মেহেদীর পাতা পুষ্ট হতে হবে। মেহেদি পাতা পুষ্ট হলে রং গাড় হয়। মেহেদির পুষ্ট পাতা শিল-পাটায় পিষে পেস্ট তৈরি করতে হবে।
এই পেষ্টের সাথে সামান্য পরিমাণ পান খাওয়ার খর মিশিয়ে হাতে-পায়ে লাগাতে হবে। এভাবে পুষ্ট মেহেদী পাতার পেস্ট লাগালে রঙ গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। গাঢ় রং পাওয়ার জন্য মেহেদী ত্বকে ১২ থেকে ৪৮ ঘন্টা থাকাটা জরুরী।
২.ভালো করে ধুয়ে নেওয়া
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায়ের মধ্যে একটি অন্যতম উপায় হল মেহেদী হাত বা পায়ের যে অংশে লাগাবেন সেই অংশ ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে তারপরে মেহেদি লাগাতে হবে।
আরো পড়ুন ঃ মেহেদি পাতার ১৭ টি উপকারিতা ও ব্যবহারের নিয়ম।
'ড্রাগ রিসার্চ ডট ইন' এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ত্বকে ময়লা ও তেল-চর্বি লেগে থাকলে মেহেদির রং গাঢ় হয় না। মেহেদির রং গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ত্বক পরিষ্কার করে সেখানে মেহেদী লাগাতে হবে।।
৩.মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য তাপ প্রয়োগ করা
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা জেনে নিব মেহেদী দেওয়ার পরে তাতে তাপ প্রয়োগ করে মেহেদী শুকালে রঙ গাঢ় হয় সে সম্পর্কে। মেহেদি লাগানোর পরে রং গাঢ় হওয়ার জন্য শুকানোর সাথে ত্বকের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
আরো পড়ুন ঃ গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া নিরাপদ কি না।
ড্রাগ রিসার্চ ডট ইন প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয় মেহেদি দেওয়ার পরে তাতে ব্লোডায়ারের মাধ্যমে অথবা চুলার ধারে আগুনের পাশে দাঁড়িয়ে মেহেদী শুকাতে পারলে রঙ বেশি গাঢ় হয়। তবে এই শুকানোর কাজটি একটু দূর থেকে বেশ সতর্কতার সহিত করতে হয়।
৪.রাসায়নিক উপাদান মুক্ত মেহেদি
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনায় এবার আমরা জেনে নিব রাসায়নিক উপাদান মুক্ত মেহেদী হলে রং গাঢ়, সুন্দর ও দীর্ঘস্থায়ী হয় সে সম্পর্কে। এজন্য প্রাকৃতিক মেহেদীই উত্তম।
রং গাঢ় হওয়ার জন্য গাছের সতেজ কাঁচা পাতা তুলে সেই পাতা শিল-পাটায় পিষে ব্লেন্ড করে কোন রকমের রাসায়নিক উপাদান যোগ না করে ত্বকে লাগালে রং গাঢ হয়। ত্বকের কোন রকমে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না।
৫.এসেনশিয়াল ওয়েল ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা দেখে নিব যে মেহেদির রং কালো করার জন্য এজেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার সম্পর্কে। এজেন্সিয়াল ওয়েল গুলো মেহেদির রং গাঢ় করে তোকে ধরে রাখতে সহায়তা করে।
আরো পড়ুন ঃ মুড়ি খাওয়ার ১৪ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে পুষ্টিগুণ ও অপকারিতা।
কোন রকমের রাসায়নিক উপাদান ছাড়াই তৈরি এই এজেন্সিয়াল ওয়েল গুলো মেহেদির রং গাড় করতে সহায়তা করে এই ইডেনশিয়াল ওয়েল তৈরি করার জন্য প্রয়োজন হয় কাগজি লেবুর রস ও ইউক্যালিপটাস বা লবঙ্গ তেল।
৬.লবঙ্গ ব্যবহারে মেহেদির রং গাঢ় হয়
লবঙ্গ ব্যবহার মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য আরেকটি অন্যতম উপায়। লোহা কড়াইতে কয়েকটি লবঙ্গ গরম করে তার ভ্যাপ নিলে মেহেদির রং গাঢ় হতে সহায়তা করে। নিরাপদ দূরত্বে থেকে এ ভ্যাপ নিতে হয় যেন মেহেদী গোলে না যায়
আরও পড়ুন ঃ মেহেদির রং তোলার সহজ ৯ টি ঘরোয়া উপায়
মেহেদি লাগানোর পরে সেই মেহেদী উঠে গেলে তাতে লেবু রস ও চিনির মিশ্রণ ব্যবহার করে এই ভ্যাপ নিলে রং আরো গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। এটা মেহেদির রং গাঢ় করার একটি প্রচলিত পদ্ধতি।
৭.মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য বাম ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব মেহেদির রং গারো করার জন্য যেকোনো ধরনের বাম ব্যবহার করলে মেহেদির রং গাঢ়, চকচকে ও দীর্ঘস্থায়ী হয় সে সম্পর্কে। বিভিন্ন বামে রয়েছে ম্যান্থল। এই মেন্থলই মূলত: মেহেদির রংকে গাঢ় করে।
আরোও পড়ুন ঃ লাউয়ের পুষ্টিগুণ ও ১৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা।
মেহেদী ত্বকে ব্যবহার করে যখন শুকিয়ে মেহেদি গুলো উঠে যায়, তখন ত্বকে রং লেগে যায়। এই রঙের উপরে যদি টাইগার বাম অথবা ভিক্স ব্যবহার করা হয় তাহলে এই রং আরো গাঢ়, চকচকে ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৮.লেবু ও চিনির যৌগ ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা আলোচনা করব মেহেদির রং গাঢ় করতে লেবুর রস ও চিনির মিশ্রণ ব্যবহার সম্পর্কে। এ দুটি প্রাকৃতিক উপাদানের মিশ্রণ মেহেদির সাথে হালকা ভাবে মেশালে মেহেদির রং গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী করে।
পদ্ধতিটি অনেক পুরাতন হলেও মেহেদির রং গাড় করার জন্য বেশ উপযোগী এই মিশ্রনের ব্যবহৃত চিনি মেহেদীকে ত্বকের সাথে আটকে রাখতে সহায়তা করে এবং লেবুর রস মেহেদির রং গাঢ করে। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পায়।
৯.ভেসলিন ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার ১৩ টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আলোচনায় আমরা এখন আলোচনা করব মেহেদির গাঢ় করার জন্য ভেসলিনের ব্যবহার সম্পর্কে। ভেসলিন ব্যবহার করলে মেহেদী রং ফ্যাকাসে হয় না অর্থাৎ মেহেদির রং গারো থাকে।
মেহেদী ত্বকে ব্যবহারের পরে ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা রেখে পরিষ্কার করলে মেহেদির রং লেগে যায়। মেহেদীর এই রঙের ডিজাইনের উপরে ভেসলিন ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলতে হয়। ভেসলিন ব্যবহার না করলে সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহারের সময় রং ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে।
১০.নারকেল তেল ব্যবহার
মেহেদী ব্যবহারের পরে যখন পুরোপুরি শুকিয়ে ত্বকে রং লেগে যায়, এর পরে চটাগুলো আলতো ভাবে তুলে ফেলতে হয়। চটাগুলো তুলে ফেলার পরে হালকা করে ধুয়ে রংয়ের উপরে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হয়।
নারিকেল তেল ব্যবহার করলে ত্বকে আদ্রতা ধরে রাখে ও মেহেদির রং ফিকে হয়ে যাওয়া রোধ করে। এর ফলে মেহেদির রং গাঢ় ও উজ্জ্বল থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় মেহেদির রং এর উপরে কোন রকমের সাবান বা শ্যাম্পু দিয়ে ঘষাঘষি করা উচিত নয়।
১১.কফি ও বিটরুট ব্যবহার
কফি ও বিটরুট মেহেদির ব্যবহারের কারণে ত্বকে মেহেদীর রং গাঢ় ও চকচকে উজ্জ্বল হয়। কফি ন্যাচারালি কালচে রঙের হয়ে থাকে ফলে মেহেদী রং গাঢ করেতে সহায়তা করে।
অপরদিকে বিটরুট নেচারালি লালচে রংয়ের হওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়। মেহেদির পেস্টের মধ্যে কফির সাথে বিটরুট মেশালে মেহেদির রং গাঢ় ও টেকসই হয়।
১২.মেহেদির রং গাঢ় হওয়ার জন্য যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে
মেহেদির রং যেন গাঢ় হয়, ত্বকে মেহেদির রং যেন সুন্দর, উজ্জ্বল ও গাঢ় রঙের হয় সে জন্য আগেই কিছু কিছু বিষয় ভালোমতো খেয়াল রাখতে হবে। মেহেদী ব্যবহারের সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো নিম্নরূপ -
- শরীরের যে অংশে মেহেদি লাগাবেন সেই অংশ ভালো করে সাবান বা শ্যাম্পু দিয়া পরিষ্কার করে নিতে হবে।
- মেহেদি, মেহেদী রংগেই সুন্দর। কালো মেহেদী দেখতে ভালো লাগে না, তাই এটি ব্যবহার না করাই ভালো।
- মেহেদির রং গাঢ় ও উজ্জ্বল হলে দেখতে সুন্দর লাগে এজন্য ভালো কোয়ালিটির মেহেদি পাতা ব্যবহার করা উচিত।
- ত্বকের যেই অংশে মেহেদি লাগাবেন সেই অংশে তেল, লোসুন বা ময়েশ্চার জাতীয় কোন প্রসাধানি ব্যবহার করা যাবে না, এতে করে মেহেদির শোষণ ব্যাহত হয়।
- মেহেদি দেয়ার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুলো হাতের কাছে রাখতে হবে।
- পার্লারে গিয়ে মেহেদি লাগাতে চাইলে আগে দেখে নিতে হবে মেহেদিটা ভালো ব্র্যান্ডের কি না, ডেট আছে কিনা, প্রয়োজনে নিজেই কোণ কিনে দিতে হবে। ভালো ব্র্যান্ডের মেহেদী না হলে রং ভালো হয় না।
- মেহেদি দেওয়ার সময় ঢিলা-ঢালা আরাম দায়কে পোশাক পরে, চুল ভালো মতো আগেই বেঁধে নেওয়া উচিত যাতে করে চুল বারবার মেহেদির উপরে না পড়ে।
- ফ্রিজের সংরক্ষণ করা মেহেদী ব্যবহার করতে চাইলে ফ্রিজ থেকে বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছু সময় রেখে দিন। তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেলে তারপরে হাতে লাগান, নইলে রং ভালো হয় না।
- মেডিকিউর ও পেডিকিউর করার প্রয়োজন থাকলে মেহেদি লাগানোর আগেই করে নিতে হবে।
- কাঁচা পাতার টাটকা মেহেদী সবচেয়ে ভালো। কোণ মেহেদি ব্যবহার করলে অবশ্যই ডেট দেখে কিনতে হবে এবং ডেট বেশি হয়ে গেলে সেই মেহদির রং ভাল হয় না।
১৩.মেহেদির পাতা বা রং সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
মেহেদির রং বা পাতা সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্ন আমরা প্রায় গুগলে সার্চ করে থাকি। এরকম কিছু প্রশ্ন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা সাজনো হয়েছে। মেহেদী পাতা সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্ন নিম্নে আলোচনা করা হলো।
প্রশ্ন ঃ মেহেদি পাতা সবুজ রঙের কিন্তু এপাতার রস বা কষ রঙ্গিন হয় কেন?
উত্তর ঃ সবুজ মেহেদি পাতায় রয়েছে 'লোসন বা ন্যাপথা কুইনোন' নামক রাসায়নিক যৌগ এই লোসন এর জন্যই মেহেদি পাতার রস-কষ রঙ্গিন হয়।
প্রশ্ন ঃ কতদিন পর পর মেহেদি ব্যবহার করা উচিত?
উত্তর ঃ চুলে বা দাড়িতে মেহেদির রং অনেক দিন থাকে তবে হাতের ক্ষেত্রে এ রঙ বেশি দিন থাকে না। সেজন্য প্রতি ২৫ থেকে ৩০ দিন পর পর মেহেদি লাগাতে পারে।
প্রশ্ন ঃ মেহেদির গাঢ় রং হওয়ার জন্য কত সময় হাতে লাগিয়ে রাখা উচিত?
উত্তর ঃ বিশেষজ্ঞদের মতে মেহেদির গাঢ় রং পাওয়ার জন্য হাতে লাগানোর পরে ১২ থেকে ৪৮ ঘন্টা রাখা উচিত।
খাঁটি বা আসল মেহেদি ব্যবহার
মেহেদির রং গাঢ় করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হল খাঁটি মেহেদি ব্যবহার করতে হবে অর্থাৎ গাছের পাতা বেটে সেটি ব্যবহার করলে সবচেয়ে গাঢ় রং হয়। এছাড়াও বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মেহেদি পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করলেও রং গাঢ় হয়। বাজারে প্রচলিত কিছু ভালো ব্রান্ডের মেহেদির নাম হলো -
- লিজেন্ড মেযহেদি,
- মমতাজ মেহেদি,
- রাঙ্গা পরী মেহেদি,
- এক্টিভ গোল্ড মেহেদি,
- রাঙ্গাপরী মেহেদি,
- তিব্বত মেহেদী। ইত্যাদি।
নকল মেহেদি হতে বিরত থাকতে হবে
মেহেদির রং গাঢ় হওয়ার জন্য সবচেয়ে যে বিষয়টি লক্ষণীয় সেটি হলো ভেজালমুক্ত মেহেদি ব্যবহার করতে হবে। নকল মেহেদি ব্যবহার করলে রং গাঢ় হয় না। ভেজালমুক্ত মেহেদী পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে গাছের পাতা বেটে এই মেহেদী ব্যবহার করার জন্য এতে রং গারো হয় সুন্দর হয় সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে ভেজাল মেহেদি ব্যবহারে অনেক সময় নিম্নোক্ত ক্ষতিগুলো হয়ে থাকে। যেমন -
- ত্বক কালো হয়ে যায়,
- চুল অন্য বর্ণ ধারণ করে,
- ত্বকে ফোস্কা পড়ে,
- বাচ্চাদের ত্বক পুড়ে যায়,
- এলার্জির সমস্যা হয়। ইত্যাদি।
উপসংহার
বিভিন্ন উৎসবে বিশেষ করে ঈদে ও বিয়েতে মেহেদী দিয়ে হাত রাঙানো ছাড়া আনন্দ যেন অসম্পূর্ণই রয়ে যায়। তাই মেহেদী সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা মেহেদীর রং কিভাবে গাঢ় করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন ও উপকৃত হয়েছেন।
আজকের মেহেদির রং গাঢ় করা সম্পর্কে এই আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্টস বক্সে লেখার জন্য অনুরোধ রইল। পাশাপাশি চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য সাথে থাকুন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url