গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি লেখা। গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার অধিক পুষ্টির প্রয়োজন হয়। এই পুষ্টি পূরণ করতে গিয়ে পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন। সে রকম খাবারের মধ্যে একটি হল ভুট্টা। খাদ্যশস্য হিসেবে ধান ও গমের পরের অবস্থান হলেও পুষ্টির বিচারে ধান ও গমের আগের অবস্থানে রয়েছে ভুট্টা।
এই আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়া নিরাপদ কিনা, ভুট্টা খাওয়ার উপকারিতা, ভুট্টা খাওয়ার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সর্তকতা সম্পর্কিত সকল বিষয় সম্পর্কে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ভুট্টা একটি চমৎকার খাদ্য! এতে একাধারে পাওয়া যায় ভিটামিন, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ, এনার্জি সহ অন্যান্য প্রয়োজনে পুষ্টি উপাদান।
পেজ সুচিপত্র
১.ভুট্টার পরিচিতি
ভুট্টা এক প্রকার দানা জাতীয় খাদ্য শস্য। চকচকে হলুদ বর্ণের এই খাদ্য শস্যটি শীষ আকারে থাকে। এই শীষগুলোকে অনেক এলাকাতেই ভুট্টার কাইন বা মোচা বলা হয়। ভুট্টা আমাদেরবাংলাদেশে কর্ণ বা পপ কর্ণ বা ভুট্টার খৈ নামে পরিচিত হলেও বিশ্বের অনেক দেশেই ভুট্টা, 'মেইজ' নামে পরিচিত। ভুট্টা শীতকালীন ফসল হলেও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।
২.ভুট্টার পুষ্টিগুণ ও পুষ্টিমান
ভুট্টা পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ। এর পুষ্টিগুণ ধান ও গমের চেয়ে বেশি। এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় এমাইনো এসিড, ভিটামিন, লাইসিন, খনিজ পদার্থ ও ফাইবার। এগুলো ছাড়াও হলুদ বর্ণের প্রতি ১০০ গ্রাম ভুট্টাতে নিম্নোক্ত পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে -
আরও পড়ুন ঃ ব্রোকলির পুষ্টিগুণ ১৯ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা খাওয়ার নিয়ম ও সতর্কতা।
- এনার্জি বা খাদ্যশক্তি - ৮৭ ক্যালরি,
- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট - ১৯ গ্রাম,
- আমিষ বা প্রোটিন - ৩.২ গ্রাম,
- আঁশ বা ফাইবার - ২.৭ গ্রাম,
- ফ্যাট বা চর্বি - ১.৪ গ্রাম,
- ভিটামিন এ - ৯০ মিলিগ্রাম,
- সোডিয়াম - ১৫.৩ মিলিগ্রাম,
- ফলিক এসিড,
- জিংক,
- আয়রণ,
- ম্যাঙ্গানিজ,
- ফসফরাস,
- ভিটামিন বি৫,
- ভিটামিন বি৬,
- ভিটামিন বি৯,
- ভিটামিন ই,
- এন্ট্রি অক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
৩.ভুট্টা যেভাবে খাবেন বা ভুট্টা খাওয়ার নিয়ম
আরও পড়ুন ঃ গর্ভাবস্থায় কামরাঙ্গা খাওয়া নিরাপদ কি না এবং উপকারিতা ও অপকারিতা।
- ভুট্টা পুড়িয়ে খেতে পারেন,
- কর্ন ওয়েল হিসেবে খাওয়া যেতে পারে,
- ভুট্টা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে,
- ভুট্টা ভেজে খেতে পারেন,
- ভুট্টার ময়দা করে রুটি বানিয়ে খেতে পারেন,
- ছাতু বানিয়ে ভুট্টা খেতে পারেন,
- পপকর্ন হিসেবে খাওয়া যেতে পারে,
- ভুট্টার স্যুপ বানিয়ে খেতে পারেন।
৪.গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব গর্ভাবস্থা ভুট্টা খাওয়া নিরাপদ কি না সে সম্পর্কে। ভোটটা একটু ভালো মনের খাদ্যশস্য ভুট্টা তে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান।
ভুট্টা একটি খাদ্যশস্য, এটি খেলে অনেকেরই অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও এতে অন্যান্য যে যৌগ রয়েছে সেগুলোকে ক্ষতিকর বলে মনে করা হয় না। সেজন্য গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়া নিয়ে অনেকেই অনেক মতামত রয়েছে।
ভুট্টাতে ক্ষতিকর কোন উপাদান নেই বলে মনে করা হয় অথবা থাকলেও স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক কম বলে মনে করা হয়। যেগুলো খেলে গর্ভবতীর বা গর্ভের ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে এমন সম্ভাবনা আছে বলে মনে করা হয় না।গর্ভবতী মহিলার ভুট্টার প্রতি সংবেদনশীলতা (এলার্জি) না থাকলে, ডাক্তারের পরামর্শে পুষ্টির জন্য পরিমাণ মতো ভুট্টা খেতে পারেন। অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়া নিরাপদ বলে মনে করা হয়।
৫.গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়ার উপকারিতা
ভুট্টা পুষ্টিগুন সম্পন্ন একটি খাবার। ভুট্টা খেলে গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মা ও গর্ভের সন্তানের পুষ্টির অভাব পূরণ করে। এছাড়াও বাচ্চার শারীরিক গঠনের জন্য বিভিন্ন রকম উপকার পাওয়া যায়। ভুট্টাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও খনিজ পদার্থ থাকে। যেগুলো বাচ্চার কঙ্কালতন্ত্র গঠনে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে যে উপকারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো হলো -
- ভুট্টা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে,
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়,
- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে,
- অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে,
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে,
- নবজাতকের ত্রুটির ঝুঁকি কমায়,
- পেশির ক্ষয় রোধ করে,
- উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে,
- ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পুরন করে,
- ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়,
- ব্লাড কোলেস্টেরল কমায়,
- টিউমারের ঝুঁকি কমে,
- চোখের জন্য ভালো।ইত্যাদি।
৬.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আলোচনাতে এখন আমরা আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি যেগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
আরও পড়ুন ঃ গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া নিরাপদ কি না।
৭.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা আলোচনা করব ভুট্টা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় সে সম্পর্কে। গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া খুবই সাধারণ একটা বিষয়। ভুট্টাতে রয়েছে পর্যন্ত পরিমাণে ডায়েটোরি ফাইবার বা আঁশ যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে ও মলত্যাগ সহজ করে।
আরও পড়ুন ঃ গর্ভাবস্থায় পেটের বাম পাশে ব্যথা হওয়ার কারণ।
৮.স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আলোচনায় এখন আমরা জেনে নেব ভুট্টা খেলে মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিক থাকে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে বিদ্যমান বিভিন্ন এ্যাটিঅক্সিডেন্ট গুলো সেরিব্রাল মেটাবলিক ইন্যান্সার হিসাবে কাজ করে। যেটি গর্ভের শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে ও স্মৃতিশক্তি ঠিক রাখে।
আরও পড়ুন ঃ সজনে পাতা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম।
৯.অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে
১০.রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভুট্টার যথেষ্ট রয়েছে। ভুট্টাতে বিদ্যমান আঁশ বা ফাইবার স্টারকে গ্লুকোজে রুপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীরগতি সম্পন্ন করে। গর্ভকালীন সময় অনেক মহিলার এই ই ডায়াবেটিস হয়ে থাকে এ সময় ভোটটা খেলে ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণে আসে।
১১.নবজাতকের ত্রুটির ঝুঁকি কমায়
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আলোচনায় এখন আমরা জেনে নিব ভুট্টা খেলে গর্ভস্থ ভ্রূণের ত্রুটি হওয়ার ঝুঁকি কমে সে সম্পর্কে।
ভুট্টা তে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলিক এসিড যেগুলো গর্ভস্থ শিশুর ত্রুটি কমায় এবং স্নায়ুতন্ত্র ও নিউট্রাল টিউবের গঠন ঠিক রাখে।
১২.পেশীর ক্ষয় রোধ করে
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আলোচনায় এখন আমরা আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে গর্ভস্থ শিশুর পেশীর গঠন ঠিক থাকে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে বিদ্যমান জিকজ্যানথি ও অন্যান্য এ্যানটিঅক্সিডেন্ট বাচ্চার পেশীর গঠন ও আকৃতি ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
১৩.রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
১৪.ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব ভোটটা ফেলে গর্ভবতী মায়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট যে গুলো গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মাযের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার বিশেষ করে স্তনক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
১৫.ব্যাড কোলেস্টেরল কমায়
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা নিরাপদ কিনা এবং খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আলোচনায় এখন আমরা আলোচনা করব ভুট্টা খেলে ব্যাড কোলেস্টেরল কমে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে এন্ট্রিঅক্সিডেন্ট, মিনারেল ও সোডিয়াম যেগুলো শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় ও খারাপ কোলেস্টেরলের কমায়। এতে করে রক্তের চলাচল স্বাভাবিক থাকে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
১৬.টিউমারের ঝুকি কমায়
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়ার উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব ভুট্টা খেলে টিউমারের ঝুঁকি কমে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে রয়েছে ফেনলিক এসিড ও বিভিন্ন ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট যেগুলো খেলে বিভিন্ন ধরনের টিউমার হওয়া ঝুঁকি কমায়।
১৭.চোখের জন্য ভালো
গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়ার উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ভুট্টা খেলে গর্ভবতী ও গর্ভের শিশুর চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে সে সম্পর্কে। ভুট্টাতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, এন্ট্রি অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য মিনারেলস। সেজন্য ভুট্টা খেলে গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
১৮.হৃদপিণ্ড ভালো রাখে
হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে ভুট্টা বেশ কার্যকরী। ভুট্টাতে বিদ্যমান পটাশিয়াম ও ক্যারোটিনয়েডস হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ভুট্টার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদপিণ্ডের কার্যক্রম ঠিক রাখতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় ভুট্টা থেকে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।
১৯.গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
গর্ভাবস্থায় ভূট্টা খাওয়া যথেষ্ট উপকারী। ভুট্টা অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি খাদ্য। গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে গর্ভবতীর ও গর্ভের শিশুর জন্য উপকারিতার পাশাপাশি ভুট্টা খেলে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে । গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খাওয়ার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিম্নে আলোচনা করা হলো -
- ভুট্টা খেলে এলার্জি হতে পারে।
- অতিরিক্ত ভুট্টা খেলে, ভুট্টার ক্যালরির কারণে ওজন বেড়ে যেতে পারে।
- মিষ্টি ভুট্টা বেশি পরিমাণে খেলে গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে।
- ভুট্টা বেশি পরিমাণে খেলে এতে থাকা ফাইবার পেটের ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।
- গর্ভাবস্থায় বেশি পরিমানে ভুট্টা খেলে পেট ফোলা ভাব বা বদহজম হতে পারে।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক বৃন্দ, গর্ভবতী মহিলার জন্য অনেক পুষ্টির প্রয়োজন হয়। গর্ভকালীন সময়ে ভিটামিন ও পুষ্টির অভাব পূরণে ভুট্টা যথেষ্ট কার্যকরী। গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে গর্ভবতী মায়ের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে ও অষ্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে।
এছাড়াও এর ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি এই পুষ্টি উপাদানগুলো গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্যে জন্য অত্যন্ত উপকারী। সেজন্য গর্ভাবস্থায় ভুট্টা খেলে গর্ভবতী মায়ের ও বাড়বে শিশুর জন্য খুবই উপকারী।
aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url