ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি লেখা। গরমে স্বস্তি পেতে কমবেশি প্রায় সবাই ঘোল খেয়ে থাকেন। ছানা ব্যতীত দুধের জলীয় অংশের তৈরি এক ধরনের পানীয় হলো ঘোল। আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন গোল খাওয়ার উপকারিতা, ঘোলের পুষ্টিগুণ ও এর উপকারিতা সম্পর্কে।

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে 'দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানো'। কথাটা প্রবাদ হলেও বাস্তবতার সাথে বেশ মিল। ঘোল বা মাঠা বা বাটার মিল্ক যেটাই বলেন না কেন? দুধ থেকে ছানা আলাদা করার পরে দুধের যে জলীয় অংশ থাকে সেটাই মূলত: ঘোল। দুধে বিদ্যমান সব ভিটামিনই প্রায় ঘোলে পাওয়া যায়, শুধু ক্যাসিন নামক প্রোটিন ছাড়া। গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহে এক গ্লাস ঘোল খেলে সবারই স্বস্তি লাগে।

পেজ সচিপত্র

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ আলোচনা করতে গিয়ে এখন আপনাদেরকে জানাবো গোল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অর্থাৎ ঘোল খেলে মানব স্বাস্থ্যের কি কি উপকার হয় সে বিষয়গুলো।

ভ্যাপসা গরমে ঘোল খেলে মন-প্রাণ সতেজ হয় ও স্বস্তি লাগে। এছাড়াও ঘোল শরীরের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। ঘোল খাওয়ার উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ - 

  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়,
  • ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে,
  • প্রোবায়োটিনের ভালো উৎস যা পেটের পীড়া দূর করে,
  • বদহজম দূর করে,
  • এসিডিটি রোধ করে,
  • শরীর সতেজ করে
  • ওজন কমায়,
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে,
  • কোলেস্টেরল কমায়,
  • ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে,
  • ডিহাইড্রেশন রোধ করে,
  • পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে। ইত্যাদি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ঃ ঘোলে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন, মিমারেলস ও এ্যান্ট্রি অক্সিডেন্টগুলো মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে ঃক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে ঘোল অতুলনীয়। বিজ্ঞানীদের গবেষণালব্ধ ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম থেকে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। দুধের চেয়ে ঘোলে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। যদি কেউ সারাদিনে এক গ্লাস গোল খায় তাহলে তার ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়।

পেট ঠান্ডা রাখে ঃ একটু রিচ ফুড খেলেই কারো কারো পেট গরম বা অস্বস্তি মনে হয়। এই রিস ফুডে বিভিন্ন ধরনের মসলা দেয়া থাকে এই মসলাগুলো হজম করার জন্য কিছু প্রবায়োটিকসের প্রয়োজন হয়। যেগুলো ঘোলের মধ্যে থাকে। সেজন্য ঘোল খেলে এই রিচ ফুডগুলো সহজে হজম হয় ও পেট ঠান্ডা রাখে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে ঃ ঘোল খেলে হজম শক্তি বাড়ে, ফলে খাদ্য দ্রুত হজম হয়। যার কারণে শরীরে মেঘ-চর্বি জমতে পারে না। দৈনিক পরিমাণ মতো ঘোল খেলে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট ধীরে ধীরে কমতে থাকে ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

বদহজম দূর করে ঃ ঘোলে বিদ্যমান প্রবায়োটিকগুলো হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও পেটের ব্যাকটেরিয়াল ফ্লোরা গুলো সক্রিয় রাখে ফলে বদহজম দূর হয় অর্থাৎ হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।

শরীরের ডিহাইড্রেশন বা পানি শূন্যতা রোধ করে ঃ তীব্র গরমে শরীর ঘেমে বা অন্য কোন উপায়ে ডিহাইড্রেশন বা  পানি শূন্যতা হলে, শরীরকে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

শরীর ঠান্ডা বা সতেজ রাখে ঃগ্রীষ্মকালে তীব্র তাপদাহে শরীরের তাপমাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হলে, তীব্র গরমের সময় শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রেখে শরীর ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

ঘোল খাওয়ার অপকারিতা

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা আলোচনা করব ঘোল খেলে মানব শরীরে যে অপকারিতাগুলো হতে পারে সেগুলো সম্পর্কে। সকল পুষ্টিগুণে গুণান্বিত ঘোল সব সময় পরিমাণ মতো হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন ঃ অঙ্কুরিত বীজ বা স্প্রাউটের পুষ্টিগুণ ১৬ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম।

মানুষ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী একটা পানীয় হলো ঘোল কিন্তু এই ঘোল তৈরির জনিত ত্রুটি অথবা এর সাথে অন্য কিছু মিশিয়ে খেলে তখন স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর বা অপকারি হতে পারে। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় বিক্রি হয় এমন ঘোল অথবা ঘোলের সাথে চিনি মিশিয়ে খেলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। 

অপরদিকে বলা যায় ঘোলে নোনী বা মাখন বা ছানা নেই সেজন্য গোল খেলে মানব স্বাস্থ্য তেমন কোন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। অতিরিক্ত গোল খাওয়ার অপকারিতাগুলো নিম্নরূপ - 

  • বেশি পরিমাণে ঘোল খেলে বদহজম হতে পারে,
  • রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় তৈরি করা ঘোল খেলে ডায়রিয়া বা কলেরা হতে পারে,
  • অতিরিক্ত চিনি মিশিয়ে ঘোল খেলে সুগার বেড়ে যেতে পারে,
  • চিনির কারণে গোল খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যেতে পারে,
  • অতিরিক্ত ঘোল খেলে অস্বস্তি লাগতে পারে,
  • বেশি পরিমাণে ঘোল খেলে এসিডিটি বেড়ে যেতে পারে।

ঘোলের পুষ্টিগুণ

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ঘোলের পুষ্টিগুণ ও পুষ্টিমান সম্পর্কে। আমরা আগেই জেনেছি ক্যাসিন ব্যতিত দুধের সমপরিমাণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে ঘোলে। ঘোলে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদান ও পুষ্টিমান নিম্নরূপ - 

আরও পড়ুন ঃ যে ১৭ খাবার খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ও শরীর সুস্থ থাকে।

  • এনার্জি বাখাদ্য শক্তি,
  • কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা,
  • প্রোটিন বা আমিষ,
  • ফ্যাট বা চর্বি,
  • ক্যালসিয়াম,
  • ম্যাগনেসিয়াম,
  • বিভিন্ন ধরনের মিনারেলস,
  • জলীয় অংশ,
  • ভিটামিন বি২,
  • ভিটামিন বি৬,
  • ভিটামিন বি১২,
  • ভিটামিন সি,
  • আয়রন,
  • এন্ট্রি অক্সিডেন্ট,
  • বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। ইত্যাদি।

ঘোল কিভাবে তৈরি করবেন

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ঘোল কিভাবে তৈরি করবেন সে সম্পর্কে অর্থাৎ ঘোল বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে। আমরা সকলেই সাধারণত ফুটপাতে তৈরি ঘোলগুলোই খেয়ে থাকি। কিন্তু এই ঘোল যদি বাড়িতে তৈরি করেন তাহলে এর পুষ্টিগুণ ও স্বাদ অনেক গুণে বেড়ে যায়।

ঘোল কিভাবে তৈরি করবেন

নিম্নের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে বাড়িতেই স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঘোল তৈরি করা যায়। বাড়িতে ঘোল তৈরির করার উপকরণ - 

  • দই বা টক দই ১ কাপ,
  • ঠান্ডা পানি ২-৩ কাপ,
  • লবণ বা বিট লবণ (প্রয়োজন মতো)
  • ভাজা জিরার গুঁড়া আধা চামচ (প্রয়োজনে),
  • চিনি বা মধু (প্রয়োজন মতো),
  • লেবুর রস (স্বাদ বৃদ্ধির জন্য)।

দই এবং পানি একত্রে মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপরে কিছুক্ষণ থেমে এর সাথে পরিমাণ মতো লবণ বা বিট লবণ, ভাজা জিরার গুঁড়া, চিনি বা মধু ও লেবুর রস ভালো মত মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ঘোল। এরপরে এর সাথে প্রয়োজনমতো বরফ মিশিয়ে পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা মজাদার ঘোল।

ঘোল খাওয়ার উপযুক্ত সময়

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো ঘোল খাওয়ার উপযুক্ত সময় কখন সে সম্পর্কে অর্থাৎ কখন ঘোল খেলে বেশি স্বস্তি বা উপকার পাওয়া যায় সে সম্পর্ক। ঘোল খাওয়ার কোন সুনির্দিষ্ট কোন সময় নেই। যখনই ভালো লাগবে তখনই খেতে পারবেন।

আরও পড়ুন ঃ যে ১৪ রকম পানীয় বা জুস গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য খুবই উপকারী।

ঘোল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুস্বাদু এক ধরনের পানীয়, যা দুধ বা দই দ্বারা তৈরি করা হয়। এই ঘোল খাওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তবে, দুপুরে খাবার পরে ঘোল খেলে ভালো হয়। কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে ঘোল খেলে খাদ্য হজমে সহায়তা করে। এছাড়াও দুপুরের তাপমাত্রা বেশি থাকে ফলে গোল খেলে শরীর সতেজ হয়।

ঘোল খেলে কি নেশা হয়

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ শিরোনামটি আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব গোল খেলে নেশা হয় কি না সে সম্পর্কে। উপরোক্ত আলোচনায় আমরা জেনেছি ঘোলের বহুবিধ উপকারিতার কথা। যারা দুধ খেতে পারেন না বা দুধের প্রোটিনের কারণে খেতে ভয় পান তাদের জন্য একটি ভালো পানীয় হলো ঘোল।

আরও পড়ুন ঃ মাটির পাত্রে পানি রেখে পান করলে মিলবে ১৫ টি ছাড়তে উপকার.

ঘোলে এমন কোন উপাদান নেই, যে উপাদানগুলো নেশার উদ্বেগ ঘটাতে পারে। নিয়মিত প্রতিদিন পরিমাণ মতো ঘোল খেলেও নেশা হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। বরং ঘোল খেলে এনার্জি পাওয়া যায়, শরীর সতের থেকে, মন ভালো থাকে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সুতরাং স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিয়মিত ঘোল খেতে পারেন। 

ঘোল খেলে কি এলার্জি হয়

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ঘোল খেলে অ্যালার্জি হয় কি না সে সম্পর্কে। সাধারণত গোল খেলে অ্যালার্জি হয় না। দুধে প্রোটিন থাকার কারণে দুধ খেলে অনেকেরই এলার্জি হয়। যেহেতু ঘোলে দুগ্ধজাত ক্যাসিন প্রোটিনটি থাকে না। সেজন্য দুধের বিকল্প হিসেবে গোল খেলে এলার্জি হয় না বরং দুধ খেলেই অনেকের অ্যালার্জি হয়।

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন কিছু পোস্ট 

আরও পড়ুন ঃ চিনি মানুষের শরীরে যে ১২ টি ক্ষতি করে।

আরও পড়ুন ঃ অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার  ১৬ টি ক্ষতিকর দিক।

ঘোল কি বা ঘোল কাকে বলে 

ঘোল দুগ্ধজাত বা দুধ থেকে তৈরি করা এক ধরনের পানীয়। গরুর খাঁটি দুধ থেকে তৈরি করা হয় ঘোল। দুধ প্রস্তুরিত বা শীতল ঘনিভূত করার ফলে দুধ থেকে ছানা আলাদা করার পরে দুধের যে অবশিষ্ট জলীয় অংশ থাকে তাকেই মূলত: ঘোল বলা হয়। ঘোল দুধের জলীয় অংশ হলেও এতে দুধে বিদ্যমান সকল পুষ্টি উপাদান, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, শুধুমাত্র ক্যসিন নামক প্রোটিন ব্যতীত।

যাদের ঘোল খাওয়া উচিত নয় 

ঘোল খাওয়ার উপকারিতা অপকারিতা ও ঘোলের পুষ্টিগুণ আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ঘোল যাদের খাওয়া উচিত নয় সে সম্পর্কে। ঘোল মানব স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি পানীয়। কিন্তু এই পানীয়টি সবার জন্যই উপকারী নয়, কারো কারো ক্ষেত্রে এটি ক্ষতির কারণ হতে পারে। নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের ঘোল খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

যাদের ঘোল খাওয়া উচিত নয়
  • ঘোল ত্বকের শুষ্কতা বাড়ায় ফলে যাদের ত্বকের সমস্যা আছে তাদের গোল না খাওয়াই ভালো,
  • যাদের ত্বকের একজিমা আছে তাদের ঘোল না খাওয়াই ভালো। এতে করে এক জীবন সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
  • ঘোলের প্রতি যারা সেনসিটিভ বা এনার্জি রয়েছে তাদের না খাওয়া উচিত।

ঘোল কোথায় পাওয়া যায়

বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই ঘোল পাওয়া যায়। তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো এবং মানসম্মত ঘোল পাওয়া যায় সিরাজগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, পাবনা ও পুরান ঢাকায়। এছাড়াও বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গাতেই ফুটপাতে রাস্তার ধারে ঘোল বিক্রি করা হয়। প্রচন্ড গরমে এক গ্লাস ঘোল দেহ-মন সতেজ করে ও স্বস্তি আনে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ঘোল বিক্রি হওয়া উচিত।

ঘোলের দাম কেমন 

দুগ্ধজাত পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে সস্তা হলো ঘোল। গরমে স্বস্তি দিতে সুস্বাদু এই পানীয় বিক্রি হয় গ্লাসে করে অথবা লিটার দরে। ঘোলের দাম নির্ভর করে এর পিউরিটির উপরে। পিউর ঘোল অর্থাৎ পানি মিশ্রিত না করে খাঁটি ঘোল বিক্রি হয় প্রতি  এক গ্লাস ১৫ থেকে ২০ টাকায়।

উপসংহার 

প্রিয় পাঠক বৃন্দ, বহু প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে রয়েছে ঘোল। চৈত্রের দুপুরে প্রচন্ড গরমে প্রায় সকলেই ঘোল খেতে পছন্দ করেন। তবে এটি যেমন উপকারী শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখে তেমনি ক্ষতির কারণো হতে পারে। ঘোল তৈরির সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বানানো উচিত।

আশা করি, আজকের ঘোল সম্পর্কিত আর্টিকেলটি পড়ে আপনাদের ভালো লেগেছে ও উপকৃত হয়েছেন। আপনার ভালো লাগাটা অন্যের সাথে শেয়ার করার জন্য আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিতে ভুলবেন না প্লিজ। আর এরকম আরো আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন। আর্টিকেল পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url