জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি লেখা। আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা এ সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। আরও জানতে পারবেন জাপান যেতে কত টাকা ও কত সময় লাগে সে সম্পর্কে।

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত দেশ জাপান দিনে দিনে উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে। এই দেশটি এখন বিশ্বের তৃতীয়তম অর্থনৈতিক ধনি রাষ্ট্র। এই উন্নত রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সামাল দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত প্রয়োজন হয় বিশাল জনশক্তি বা জনবল। এই জনশক্তি জাপান সরকার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মাধ্যমে বাহিরের দেশ থেকে আমদানি করে থাকে।

পেজ সুচিপত্র

জাপানের পরিচিতি 

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এগুলো জেনে নেওয়ার আগে আমাদের জানা দরকার জাপানের পরিচিতি সম্পর্কে।

যে দেশে আপনি কাজের উদ্দেশ্যে যাবেন এবং প্রবাস জীবন কাটাবেন সে দেশ সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন। পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র জাপান।

এক নজরে জাপান

  • দেশটির নাম ঃ জাপান (Japan), পূর্ব নাম নিপ্পন (Nippon). 
  • জাপানের রাজধানীর নাম ঃ টোকিও,
  • জাপানের মুদ্রার নাম ঃ ইয়েন (JPY),
  • জাপানের জাতীয় ভাষা ঃ জাপানি,
  • মুদ্রা বিনিময়ের হার ঃজাপানি ১ (JPY) ইয়েন সমান বাংলাদেশি ০.৮২ (BDT) টাকা।
  • জাপানের কোড ঃ +৮১ (+81),
  • গাড়ি চালানোর দিক ঃ বাম (Left side),
  • জাপানের আয়তন ঃ ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮৭৩ বর্গ কিলোমিটার
  • জাপান যে মহাদেশে অবস্থিত ঃ এশিয়া মহাদেশ,
  • জাপানের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঃ শিন্তো ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্ম,
  • জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।

জাপান যেতে কত বছর বয়স লাগে 

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব শ্রমিক ভিসায় জাপান যেতে বয়সসীমা কত লাগে সে সম্পর্কে।

আরও পড়ুন ঃ জাপানে কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কাজের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা অর্থাৎ শ্রমিক ভিসায় জাপান যাওয়ার জন্য যে বয়সে নির্ধারণ করা হয়েছে তা হলো ১৮ বছর থেকে ৩০ বছর। এই বয়স সীমার লোকদের জাপানে শ্রমিক ভিসার চাহিদা বেশি। জাপান যেতে চাইলে এই বয়স সীমার মধ্যে সকল যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে যাওয়ার চেষ্টা করুন

জাপান যেতে কতটুকু শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় অর্থাৎ এস এস এন্ড ডব্লিউ ও টি আই টিপি ভিসায় যাওয়ার জন্য কি পরিমাণ শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে সে সম্পর্কে।

আরও পড়ুন ঃ কম পুঁজিতে টাকা আয় করার ১০টি লাভজনক ব্যবসার ধারণা।

শ্রমিক ভিসায় জাপান যাওয়ার জন্য তেমন কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। তবে জাপানি ভাষা ভালোমতো আয়ত্ত করতে হয় পাশাপাশি যে কাজের জন্য যাবেন সেই কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়।

জাপানি ভাষা শেখা বা আয়ত্ত করার জন্য এবং কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য নূন্যতম এসএসসি পাস হলে ভালো হয়। এই শিক্ষাগত যোগ্যতাটুকুও বাধ্যতামূলক নয়।

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত সে সম্পর্কে।

জাপান অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী ও শিল্পোন্নত একটি দেশ। এদেশের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রদান করা হয় এবং এর বেতনও আলাদা আলাদা ভাবে নির্ধারণ করা হয়।

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত

বাংলাদেশ থেকে জাপানে যাওয়ার জন্য তিন ক্যাটাগরিতে ওয়াট পারমিট ভিসা প্রদান করা হয়ে থাকে। যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুসারে এই তিন ক্যাটাগরিতে আলাদা আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। ক্যাটাগরি দিনটি হল - 

  • ১.TITP ভিসা (Technical Intern Training Program),
  • ২.SSW ভিসা (Specified Skilled Worker),
  • ৩.ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার ভিসা।

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বলতে সাধারণভাবে এসএসডাবলু ও ভিআইটিপি ভিসাকেই বুঝানো হয়ে থাকে।

টি আই টি পি ভিসার মাধ্যমে জাপান গেলে বেতন হবে প্রাথমিক অবস্থায় পতিত মাসে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। ওভারটাইম কাজ করলে আরো বেশি আয় করা যায়। চাকরির বয়স (জব লেন্থ) বাড়ার সাথে সাথে কাজের বেতনও বাড়তে থাকে।

এস এস ডব্লিউ এই ক্যাটাগরিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় জাপান গেলে প্রাথমিক অবস্থায় বেতন হয় প্রতি মাসে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। ওভারটাইম কাজের মাধ্যমে ইনকাম আরো বাড়ানো যায়।

চাকরির বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেতনও বাড়তে থাকে। এই ক্যাটাগরিতে ১০ থেকে ১৪ টি সেক্টরে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

কাজগুলো হল - 

  • কম্পিউটার অপারেটর,
  • মেকানিক্যাল কাজ,
  • কনস্ট্রাকশনের কাজ,
  • ইলেকট্রনিক্স এর কাজ,
  • ফুড প্যাকেজিং এর কাজ,
  • হোম ডেলিভারি ম্যান,
  • নার্সিং এর কাজ,
  • ক্লিনারের কাজ,
  • সেলসম্যান এর কাজ,
  • ফ্যাক্টরির কাজ,
  • কৃষিকাজ। ইত্যাদি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকলে এই কাজগুলোর বেতন প্রাথমিক অবস্থায় প্রায় একই রকম অর্থাৎ দেড় লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকার মধ্যে। চাকরির বয়স ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে এই বেতনও বাড়তে থাকে।

জাপানে থাকা-খাওয়ার খরচ কত

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো জাপানে একজন প্রবাসীর থাকা খাওয়ার খরচ কত টাকা লাগে সে সম্পর্কে।

আরও পড়ুন ঃ দুবাই কোন কাজের বেতন কত এবং কোন কাজের চাহিদা বেশি?

জাপানে প্রবাসীদের জন্য থাকা খাওয়ার খরচ নির্ভর করে শহরে না গ্রামে, ছোট শহরে নাকি বড় শহরে কোথায় থাকবেন তার উপর। বড় শহরগুলোতে ছোট শহর বা গ্রামের তুলনায় বাসা ভাড়া ও খাওয়া খরচ তুলনামূলক বেশি, প্রায় ডাবল।

জাপানের বড় বড় শহর, তুলনামূলক ছোট শহর এবং গ্রাম পর্যায়ে থাকা খাওয়ার মাসিক খরচের আনুমানিক ধারণার একটা তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো - 

শহরের নাম - বাসা ভাড়া - খাওয়া খরচ = মোট খরচ
  • বড় শহর - ৪০,০০০ - ২৫,০০০ = ৬৫,০০০ ইয়েন।
  • ছোট শহর - ৩০,০০০ - ২০,০০০ = ৫০,০০০ ইয়েন।
  • গ্রাম অঞ্চল - ২৫,০০০ - ২০,০০০ = ৪৫,০০০ ইয়েন।
একজন প্রবাসীর জাপানে থাকা খাওয়ার জন্য বাসা ভাড়া ও খাওয়া খরচ বাবদ যে খরচ হবে তার সাথে বিদ্যুৎ বিল, পানি বিল ও গ্যাস বিল যোগ করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে জাপানে যেতে কত সময় লাগে

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নেব বাংলাদেশ থেকে জাপান যেতে কত সময় লাগে সম্পর্কে।

আরও পড়ুন ঃ মালয়েশিয়া শ্রমিকের বেতন কত এবং কোন কাজের চাহিদা বেশি?

বাংলাদেশের ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাপানে রাজধানী টোকিও বিমানবন্দরে পৌঁছাতে বিমানে সময় লাগে মাত্র ৭ (সাত) ঘন্টা। তবে, যদি ট্রানজিট থাকে তাহলে এ সময়টা একটু বেশি লেগে যায় অর্থাৎ তখন সময় লাগে ৯ থেকে ১৪ ঘন্টা।

জাপানে যেতে কত টাকা লাগে 

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব জাপানে যেতে সর্বমোট কত টাকা খরচ লাগে সে সম্পর্কে।

আরও পড়ুন ঃ ক্যালসিয়াম ঘাটতিঃ লক্ষণ কারণ প্রতিকার ও চিকিৎসা।

জাপানে গমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জাপানে যাওয়ার জন্য ভিসা তৈরি ও প্রসেসিং করতে ন্যূনতম ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হয়। এছাড়াও পাসপোর্ট তৈরি, বিমান ভাড়া, ও আনুষঙ্গিক কাগজ-পত্র তৈরি করতে আরো প্রায় ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ।

সবকিছু মিলিয়ে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় জাপানে যাওয়ার জন্য একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৯ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়।

জাপানে বাংলাদেশী শ্রমিকের বেতন কত

জাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনা এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব জাপানে বাংলাদেশের শ্রমিকের বেতন কত টাকা সে সম্পর্কে।

জাপানে বাংলাদেশী শ্রমিকের বেতন কত

সূর্য উদয়ের দেশ জাপানে বাংলাদেশের অসংখ্য শ্রমিক বিভিন্ন কলকারখানায় বিভিন্ন ধরনের কাজে কর্মরত রয়েছেন। শ্রমিকদের বেতন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আলাপ আলোচনা মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তবে বর্তমান সময়ে জাপানে শ্রমিকদের বেতন নিয়ে বেশ বৈষম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বর্তমান শ্রমবাজার অনুসারে জাপানে একজন বাংলাদেশী শ্রমিকের ন্যূনতম মাসিক গড় বেতন প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়াও ওভারটাইম কাজ করে মাসিক বেতন বাড়ানো যায়।

জাপানে কাজের ভিসা পাওয়ার উপায়

জাপানের কোম্পানিগুলো কর্মীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নিয়োগ দিয়ে থাকে। জাপানে কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জাপানের ঐ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আপনাকে চাকরির অফার পেতে হবে। 

অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (eg Daijob, Gaijinpot, Jobs in Japan) ঘাটাঘাটির মাধ্যমে আপনি কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কোম্পানির কাছ থেকে জবের অফার লেটার পাওয়ার পর কোম্পানি আপনার জবের জন্য Cirtificate of Eligibility (COE) এর আবেদন করবেন।

COE পাওয়ার পরে বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানি দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। যদি ভিসা আবেদন সফল  সম্পন্ন হয় তবে দূতাবাস থেকে আপনার পাসপোর্টে কাজের ভিসা লাগানো হবে। এটি ইস্যু করতে প্রায় ৬ থেকে ১০ কর্ম দিবস সময় লেগে যায়।

উপসংহার

আশা করি, জাপানের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কিত আজকের আর্টিকেলটি পড়ে সকল তথ্যগুলো বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন ও আপনাদের ভালো লেগেছে। বর্তমান সময়ে ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য অনেক বাংলাদেশী জাপানে যাচ্ছেন। কিন্তু তারা সঠিক দিক নির্দেশনা, জাপানি ভাষা ভালোমতো আয়ত্ত না করা, কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করে না যাওয়ার কারণে, অনেক সময় আয় রোজগার কম হচ্ছে।

তাই জাপান যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো পুরোপুরি জেনে যাওয়া উচিত। বিশেষ করে জাপানি ভাষা ভালো করে আয়ত্ত করে যেতে হবে। উকত কাজগুলো সঠিকভাবে আয়ত্ত করে জাপানে গেলে আয় রোজগার আরো বাড়ানো সম্ভব। এ ধরনের আরও আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url