লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয়
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায়
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে। লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার জন্য নিম্নোক্ত উপায় আবেদন করতে হবে।
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে বর্তমান সময়ে ঘরে বসেই আপনি মোবাইল অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে গুগল ক্রমে প্রবেশ করতে হবে, গুগল ক্রোমে প্রবেশ করার পরে লিথুনিয়া ভিসা অ্যাপ্লিকেশন (Lithuania Visa Application) লিখে সার্চ করলে আপনি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন।
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্যাটাগরি
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ শিরোনামটি আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নেব লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্যাটাগরি সম্পর্ক। ইউরোপের দেশ লিথুনিয়াতে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই কাজের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন।
আরও পড়ুন ঃ লিথুনিয়া কোন কাজে চাহিদা বেশি এবং কোন কাজের বেতন বেশি।
প্রতি বছরই লিথুনিয়ার সরকার বিভিন্ন বৈদেশিক কান্ট্রি থেকে লোক নিয়োগ করে থাকেন। দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দু'দেশের সরকারি নিয়ম অনুসারে সরকারি সার্কুলারের প্রেক্ষিতে ৪ টি ক্যাটাগরিতে লিথুয়ানিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। সরকারিভাবে লিটু নিয়ে গেলে খরচও কম পাড়ে।
- সাধারণ কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা,
- অভিজ্ঞ কর্মীদের জন্য ইইউ ব্লু কার্ড ভিসা
- সিজনাল কর্মীদের জন্য কাজের ভিসা
- ইন্ট্রা কোম্পানির ভিসা।
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায়
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ সম্পর্কিত আলোচনা এ পর্যায়ে আমরা জেনে নেব ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদনের জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কে।
আরও পড়ুন ঃজাপানে কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কাজের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?
উপরোক্ত ভিসা পাওয়ার উপায় এর মধ্যে আমরা লিথুনিয়ার ভিসা আবেদন করার নিয়ম জেনেছি। এবার আমরা জানবো কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হয় সেগুলো সম্পর্কে। ভিসা এপ্লিকেশনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজগুলো যুক্ত করতে হবে -
- কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদী বৈধ পাসপোর্ট,
- সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছয় কপি ছবি,
- কাজের চুক্তিপত্র,
- জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি,
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিপোর্ট,
- ভিসার জন্য ফি প্রদানের রশিদ,
- মেডিকেল কতৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট,
- যথাযথ ও সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফরম। এছাড়াও লিথুনিয়ার এম্বাসি কতৃক নির্ধারিত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে।
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত সে সম্পর্কে। লিথুনিয়ার সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রদান করে থাকেন। এই চারটি ক্যাটাগরিতে বেতনও আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।
লিথুনিয়াতে একজন ওয়ার্ক পারমিট ভিসাধারী একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন মাসিক বেতন প্রায় ৯০০ থেকে ১০০০ ইউরো হয়ে থাকে যার পরিমাণ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা প্রায়।লিথুনিয়াতে ঘন্টা অনুযায়ী বেতন অর্থাৎ ইউরো (টাকা) প্রদান করা হয়। একজন শ্রমিক প্রতিদিন ৮ ঘন্টা করে কাজ করতে পারেন এবং সপ্তাহে দুদিন ছুটিতে থাকতে হয়। সেই হিসেবে সপ্তাহে একজন শ্রমিক ৪০ ঘন্টা কাজ করতে পারেন।
লিথুনিয়া যেতে কত খরচ হয়
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে সতর্কতা
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ শিরোনামটি আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় সে সম্পর্কে। সকল ধরনের প্রতারণার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করুন।
আরও পড়ুন ঃ ওমানে কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন বেশি।
তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে এসেও অনেক অসাধু লোকজন বা ভুয়া এজেন্সিগুলো ভুল তথ্য দিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের লোকজন বা এজেন্সির ফাঁদে না পড়ে আপনি নিজেই সরাসরি অনলাইনে যোগাযোগ করুন অথবা আপনার বিশ্বস্ত ও পরিচিত লোকজনের সাথে সরাসরি এম্বাসিতে গিয়ে তথ্য কালেক্ট করুন এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করুন।
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সুবিধা কি
লিথুনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার উপায় এবং যেতে কত খরচ হয় এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সুবিধা কি সে সম্পর্কে। ওয়ার্ড পারমিট ভিসা হল দুটি দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র।
যেখানে দুই দেশের মধ্যে শ্রমশক্তি আমদানি রপ্তানি বিষয়ে উল্লেখ থাকে। আর এ ভিসায় কোন দেশে গেলে সে দেশে কাজ জন্য বেকার বসে থাকতে হয় না।
ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সুবিধাগুলো হলো -
- বেসরকারিভাবে যাওয়ার তুলনায় খরচ কম পড়ে,
- কাজের নিশ্চয়তা,
- কাজের বেতন বেশি,
- কর্মরত অবস্থায় কোন ক্ষতি হলে তার রিক্স কাভারের ব্যবস্থা। ইত্যাদি।
aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url