স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি লেখা। শিল্প, প্রযুক্তি ও শিক্ষায় উন্নত সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। জাপানে পড়াশোনা করতে যাওয়ার জন্য অনেক স্টুডেন্টরা আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু তারা অনেকেই জানেন না, কি উপায়ে সেখানকার স্টুডেন্ট ভিসা পেতে হয়?
আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন জাপানে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার উপায়, জাপানে যেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কি লাগে? কত টাকা খরচ হয়? কি কি কাগজপত্র লাগে? এবং জাপানে থাকা খাওয়া ও পড়াশোনার খরচ কত টাকা লাগে? ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে। চলুন এ বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।
পেজ সুচিপত্র
জাপানে স্কলারশিপ বা পড়াশোনার জন্য আবেদনের উপায়
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা জেনে নিব জাপানে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য কি নিয়মে আবেদন করতে হয় সে সম্পর্কে।
জাপানে উচ্চ শিক্ষার জন্য যদি কেউ যেতে চান তাহলে তাকে অবশ্যই মেক্সট স্কলারশিপ এ আবেদন করতে হবে। নির্দিষ্ট আবেদন ফর্মটি সঠিক তথ্যাবলী দিয়ে যথাযথ ভাবে পূরণ করার পরে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সকল সঠিক কাগজপত্র সহ জমা দিতে হবে। এ সময় যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয় সেগুলো হলো।
- ইজেইউ স্কোর,
- জেএলপিটি স্কোর,
- আইইএলটিএস বা টোফেল (আইবিটি) স্কোর। ইত্যাদি।
আবেদন করা সম্পন্ন হয়ে গেলে সিজিপিএ ও অন্যান্য সকল বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করার পরে যদি আপনি এলিজেবল হন তাহলে জাপান সরকার আপনাকে স্কলারশিপে জাপানে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের জন্য পড়াশোনা করার সুযোগ দিতে পারেন।
যদি আপনি স্কলারশিপ পেয়ে যান তাহলে বিনা খরচায় জাপানে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করতে পারবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এখন আমরা জেনে নিব স্টুডেন্ট ভিসায় জাপানে গেলে শিক্ষাগত যোগ্যতা কি লাগে সে সম্পর্কে। সাধারণত উচ্চ শিক্ষা অর্থাৎ অনার্স বা ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডিপ্লোমা পড়ার জন্য জাপানে যেতে চাইলে এইচএসসি পাস বা সম-মানের সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
আরও পড়ুন ঃজাপানে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেতন কত এবং জাপানে যেতে কত বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে?
অর্থাৎ বাংলাদেশে ১২ বছর অধ্যায়নের সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। IELTS, TOEFL (iBT) তে ভালো স্কোর (ন্যূনতম স্কোর IELTS ৫.৫ এবং iBT ৭২) থাকতে হবে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য আরও বেশি স্কোর প্রয়োজন হতে পারে।
এছাড়াও লাগবে মোটিভেশনাল লেটার ও রিকোয়ারমেনট লেটার। যে বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে চান সেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত এইচএসসিতে জিপিএ পয়েন্ট।
যদি কেউ জাপানে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য যেতে চান তাহলে তাকে দেশে ডিপ্লোমা পাশের সার্টিফিকেট থাকতে হবে। আবার যদি কেউ পিএইচডি করতে জাপান যেতে চান তাহলে তার মাস্টার্স পাসের সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার সময় কি কি কাগজপত্র লাগে সে সম্পর্কে। জাপানে যাওয়ার সময় নিম্নোক্ত কাগজপত্র গুলো প্রয়োজন হয়
আরও পড়ুন ঃ জাপানে কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কাজের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?
- কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি বৈধ পাসপোর্ট,
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ,
- একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট,
- জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি,
- নাগরিক সনদের কপি,
- চার থেকে ছয় কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি,
- ইংরেজি প্রোগ্রাম আইইএলটিএস বা টোফেল এর স্কোরের সনদপত্র,
- স্টেটমেন্ট অফ পেপারস বা পার্সোনাল পেপার,
- পেশাগত যোগ্যতার সনদ (এমবি এর ক্ষেত্রে),
- রিকমেন্ডেশন লেটার,
- ব্যাংক সলভেন্সির স্টেটমেন্ট।
জাপানি ভাষা শিক্ষা
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নেব জাপানি ভাষা শিখা সম্পর্কে। জাপানের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে ইংরেজি ভাষাতে পাঠদান করা হয়। আবার কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে জাপানি ভাষাতেই পাঠদান করা হয়।
বলা যেতে পারে জাপানে নিজস্ব ভাষাকেই প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এছাড়াও সেখানে জীবনযাপন করার জন্য জাপানি ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সুতরাং সবকিছু মিলিয়ে স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার আগে জাপানি ভাষা ভালো করে আয়ত্ত করে নিয়ে যেতে হবে।
ইজেইউ (EJU)
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনায় আমরা আপনাদেরকে এখন জানিয়ে দিব ইজেইউ (EJU) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাবলি।
আরও পড়ুন ঃ নাউরু রাজধানী বিহীন দেশ হিরো থেকে জিরো হওয়া এক রাষ্ট্র।
ইজেইউ (Examination for Japanese University Admission for International Students) হলো যে সকল স্টুডেন্টরা বাইরের দেশ থেকে পড়াশোনা করার জন্য জাপানে যেতে চান তাদের মূল্যায়ন করার একটি পরীক্ষা পদ্ধতি।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে ফরেন স্টুডেন্টদের জাপানি ভাষা ও একাডেমিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। এই মূল্যায়ন পরীক্ষায় যারা বেশি স্কোর অর্জন করে তাদের জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়।
এই মূল্যায়ন পরীক্ষার বিষয়গুলো হলো জাপানি ভাষা, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত ও সাধারণ বিষয়। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য জাপান কতৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সে দেশে পৌঁছাছে হয়।
জেএলপিটি (JLPT)
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সংক্রান্ত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো জেএলপিটি (JLPT) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাবলি।
আরও পড়ুন ঃ কখন দাঁত ব্রাশ করা উপকারী সকালে খাওয়ার আগে না রাতে খাওয়ার পরে।
জেএলপিটি (Japanese-Language proficiency Test) হলো জাপানি ভাষার দক্ষতার মূল্যায়ন পরীক্ষা যা অধিকাংশ জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই গৃহীত হয়।
এ পরীক্ষায় ৫ টি মেধা স্তর আছে। যার সর্বোচ্চ মেধা স্তর N5 এবং সর্বনিন্ম মেধা স্তর N1 হিসাবে গণ্য হয়। ফরেন স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য কমপক্ষে n2 মেধা স্তর থাকতে হয়।
জাপানে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনের নিয়ম
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত কনস্যুলেটর অফিসে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভিসার জন্য আবেদন ফর্ম যথাযথ ও সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হয়। পূরণ করার পরে প্রয়োজনীয় প্রাসঙ্গিক কাগজপত্রসহ ভিসা আবেদন ফর্মটি জমা দিতে হয়।
সার্টিফিকেট অফ ইলিজিবিলিটি (সি ও ই) সহ আবেদন ফর্মটি জমা দেওয়ার কয়েকদিন পরে এটি কার্যকরী ও গ্রহনযোগ্য হলে কয়েকদিনের মধ্যে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়। ভিসা আবেদন করার জন্য যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন হয় তার তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো -
- কমপক্ষে এক বছর মেয়াদী বৈধ পাসপোর্ট, (নতুন ও পুরাতন দুটোই),
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ,
- সিওই,
- সিভি,
- একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট,
- জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি,
- নাগরিক সনদের কপি,
- ৪ থেকে ৬ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি,
- ইংরেজি প্রোগ্রাম আইইএলটিএস বা টোফেল এর স্কোরের সনদপত্র,
- স্টেটমেন্ট অফ পেপারস বা পার্সোনাল পেপার,
- পেশাগত যোগ্যতার সনদ (এমবি এর ক্ষেত্রে),
- জাপানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রেরিত কমেন্ডেশন লেটার,
- স্কলারশিপ এর প্রমাণ পত্র,
- ব্যাংক সলভেন্সির স্টেটমেন্ট, এক বছরের জন্য সর্বনিম্ন ১৭ থেকে ১৮ লক্ষ টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে।
সাক্ষাৎকারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং ও জমা
সিওই সংবলিত আবেদন পত্রটি সকল কাগজপত্রসহ জমা দানের পরে সাক্ষাৎকারের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য নির্ধারিত ই-মেইল অ্যাড্রেসছ ফর্মটি পূরণ করে পাঠাতে হয়। জাপানি ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ঠিকানা হলো -
- জাপান দূতাবাস,
- বাংলাদেশ,
- প্লট # ৫ ও ৭,
- দূতাবাস রোড,
- বারিধারা,
- ঢাকা।
আরো পড়ুন ঃ ট্যাবলেটের মাঝখানে স্কোরিং বা দাগ থাকে কেন?
প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার যেকোন, সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে ১০ টার মধ্যে ভিসা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার চলে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২ঃ০০ টা পর্যন্ত।
আবেদনপত্রের সাথে যাবতীয় নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়র পর ভিসা অফিস থেকে একটি রশিদ প্রদান করা হয়। পরবর্তী সময়ে ভিসা সংগ্রহের দিন রশিদটি শো করতে হয়।
ভিসা প্রক্রিয়াকরণের মেয়াদ, ফি ও ভিসা সংগ্রহ
সাধারণত সাক্ষাৎকারের দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ কর্ম দিবস পর ভিসা সরবরাহের নিয়ম বলবত রয়েছে। তবে সিওই সহ ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি শেষ হতে এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
- ভিসার ফি বাবদ জাপান সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সিঙ্গেল এন্ট্রির ভিসার জন্য ৩ হাস ইয়েন যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় আড়াই হাজার টাকার সমান। ডাবল এন্ট্রি ভিসার জন্য ছয় ইয়েন যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকার সমান।
- ভিসা যুক্ত পাসপোর্ট প্রদানের সময় বেলা ২ টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ভিসা প্রদানের সময় পাসসহ সকল মূল কাগজ ফেরত দেওয়া হয়।
- উপযুক্ত কোনো কারণে প্রার্থী ভিসা কেন্দ্রে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভিসা গ্রহণে অপারগ হলে, তার মনোনীত ব্যক্তিকে পাঠাতে পারবেন। তবে, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি সঙ্গে আসল প্রার্থীর বৈধ স্বাক্ষর সহ পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি চিঠি ও আবেদনের রশিদ সঙ্গে আনতে হবে।
জাপানে থাকা-খাওয়ার ও পড়াশোনার খরচ
উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার কারণে জাপানে থাকা-খাওয়ার খরচ একটু বেশি হয়। এটা নির্ভর করে আপনি যে মানের বাসা ব্যবহার করবেন ও খাদ্য-খানা খাবেন তার উপর। জাপানের বড় বড় শহরগুলোতে মধ্যম মানের এক রুমের বাসা ভাড়া প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকা।
খাবারের মাসিক খরচ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এছাড়াও ছাত্রদের স্বাস্থ্য সেবা খাতে দেড় থেকে দু হাজার টাকা ও পাবলিক ট্রান্সপোর্ট খাতে ছাত্রদের মাসিক পাস ফি বাবদ চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা খরচ হয়।
পড়াশোনা করে ডিগ্রী অর্জনের জন্য জাপানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন রকমের খরচ হয়। স্নাতকোত্তর, মাস্টার ও পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের জন্য অধ্যয়ন ফি সাধারণত গড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকার মধ্যে।
জাপানের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জেনে নিব জাপানের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও সে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামগুলো নিম্নে প্রদান করা হলো।
- ইউনিভার্সিটি অফ টোকিও,
- ইউনিভার্সিটি অফ ওসাকা,
- ইউনিভার্সিটি অফ কিয়োটো,
- টোকিও ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি,
- ইউনিভার্সিটি অর্থ তোহোকু,
- ওয়েসেদা ইউনিভার্সিটি,
- কিউশু ইনস্টিটিউট,
- ইউনিভার্সিটি অফ হোক্কাইডো,
- নাগোয়া ইউনিভার্সিটি। ইত্যাদি।
সর্বাধিক চাহিদার সাবজেক্ট বা বিষয়
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এই শিরোনামটি আলোচনায় এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দিব জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সর্বাধিক চাহিদার সাবজেক্ট বা বিষয়গুলোর নামসমুহ।
বর্তমান এই তথ্য-প্রযুক্তির যুগে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডেবল বা অধিক চাহিদার সে বিষয়গুলোর নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
- প্রকৌশল ও প্রযুক্তি,
- ডাটা সায়েন্স,
- কম্পিউটার সাইন্স,
- মেডিসিন ও পরিবেশ বিজ্ঞান,
- ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা,
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,
- স্থাপত্য,
- হেলথ কেয়ার,
- অর্থনীতি। ইত্যাদি।
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যেতে কত খরচ হয়
স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়ার উপায় খরচ কত হয় কাগজপত্র কি লাগে এ সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আপনাদেরকে জানাবো জাপানে পড়ালেখা করার জন্য গেলে কি পরিমাণ বা কত টাকা খরচ হয় সে সম্পর্কে।
বাংলাদেশে অবস্থিত জাপানি এমবাসিতে স্টুডেন্টদের ভিসা সংক্রান্ত স্টুডেন্ট কাউন্সিলর থাকে। তার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। কোন দালালকে টাকা পয়সা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এই ক্ষেত্রে শুধু জাপানি ভিসা খরচ, এয়ার প্লেনের টিকেট ও সেখানকার টিউশন খরচ লাগে।
মেধা সম্পন্ন স্টুডেন্টদের স্কলারশিপের মাধ্যমে জাপানে পড়ার জন্য গেলে জাপান সরকার তার পড়াশোনার খরচ ও দায়ভার বহন করেন। এজন্য জাপানে পড়ালেখার জন্য খুব একটা বেশি খরচ হয় না।
বলা যেতে পারে, জাপানের ভিসা প্রসেসিং ফি ও এয়ার টিকিট ও এক বছরের টিউশন ফি সহ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে। টিউশন ফি বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে কম বেশি হয়ে থাকে যার পরিমান প্রায় ১৫ লক্ষ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা।
উপসংহার
আশা করি, স্টুডেন্ট ভিসায় জাপান যাওয়া সম্পর্কিত আজকের আর্টিকেলটি পড়ে এ সকল বিষয় সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যাদি বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন ও উপকৃত হয়েছেন। জ্ঞান অর্জন তথা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য টাকা কোন ব্যাপার নয়, মনের ইচ্ছাটাই আসল। সকল ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করার মাধ্যমে ভিসা পেয়ে গেলেই আপনি জাপানে গিয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন।
প্রিয় পাঠক বৃন্দ, এ সংক্রান্ত আরো আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন আর আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিন যেন অন্যান্য বন্ধুরাও জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা সম্পর্কে জানতে পারে। এ সম্পর্কে কোন মতামত থাকলে কমেন্টস বক্সে জানানোর অনুরোধ রইল। আর্টিকেলটি কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url